আমাদের সম্পর্কে

দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের মতো সাহিত্যাঙ্গনেও অশুভ ছায়া পড়েছে বেশ কিছুদিন। গুটিকয়েক মানুষের হাতেই যেন ঘুরছে চাবিকাঠি। তবে এই গুটিকয়েক মানুষের সংখ্যা যে কত আর কারাই বা এরা তার কোনো ইয়াত্তা নেই। নবীন লেখকদের কেউ জায়গা দিতে চায় না। এই নবীন কুঁড়িতে যে একদিন পরিপূর্ণ ফুল হয়ে উঠবে এটা কেউ বিশ্বাস করতে চান না৷ ফলতঃ ঝরে যায় অসংখ্য প্রতিভা৷ যুদ্ধের আগে পরাজিত হয় অজস্র সৈন্য। এই দায় কার?

একজন নবীন লেখক বা লেখিকা তার প্রথম লেখাতেই বাজিমাত করতে পারবেন না। তার লেখনী দিনের শুরুতেই ঝলকানি দিয়ে উঠবে না৷ এজন্য সময় প্রয়োজন। আর এই সময়টায় প্রয়োজন সঠিক মূল্যায়ন। এই সময়টাতে যোগ্য মূল্যায়নের অভাব৷ তথাকথিত সাহিত্য পত্রিকাগুলো নবীনদের লেখা প্রকাশ করতে বোধহয় লজ্জাবোধ করে। আর নাহয় এতো অবমূল্যায়ন কেন?

তরুণ তুর্কিদের জন্য খোলা নেই কোনো পথ। কেউ লেখা প্রকাশ করে না। প্রকাশ করলেও সম্পাদনার নামে এমন কাণ্ড ঘটায় যাতে মূল লেখার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না৷ তথাকথিত সাহিত্য বোদ্ধারা মনে করেন সাহিত্য চর্চা কেবল গুটিকয়েক মানুষের জন্য।

তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের এই আন্দোলন। আমাদের শ্লোগান ‘সাহিত্য মুক্তি পাক’। আমরা চাই সাহিত্য হোক সার্বজনীন৷ চর্চা হোক পুরো বাংলাদেশ জুড়ে। প্রকাশ হোক সবার লেখা। তাই আমাদের এই আয়োজন৷

‘শুভ্র কাগজ’ দেশের প্রথম অনলাইন প্লাটফর্ম যেখানে সম্পাদকের চোখ রাঙানি ছাড়াই লেখা প্রকাশ হয়৷ এবার সবার সব লেখা প্রকাশ হবে। একদম সব৷ সাহিত্যচর্চা পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলনে আপনিও সামিল হোন। শুভ্রতা ছুঁয়ে যাক কাগজে কলমে।

– হাসান ইনাম
তত্ত্বাবধায়ক, শুভ্র কাগজ।

আমরা সাহিত্য চর্চাও করবো না, লেখকও তৈরি করবো না, সম্পাদনাও করবো না, কেবল প্রকাশ করবো স্বপ্ন আর সৌহার্দ্য।

আপনার লেখা আজেই পাঠিয়ে দিন শুভ্র কাগজে। এই কাগজ প্রকাশ করবে আপনার প্রীতি।